অনলাইন ডেস্ক।।
প্রাইমারি স্কুলে করোনা ছড়ানোর জন্য ‘কয়েকটি বাংলাদেশি পরিবারকে’ দায়ী করা ব্রিটেনের সান্ডারল্যান্ডের রিচার্ড অ্যাভিনিউর প্রধানশিক্ষিকা কারেন টড শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন। দায়িত্ব ছেড়ে আগেভাগে অবসরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
গত বছর নভেম্বরে কারেন টড বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবারের কাছে চিঠি লিখে বলেন, ‘আপনাদের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণে করোনার ঝুঁকি বাড়ছে।’
চিঠিতে তিনি দাবি করেন, ‘অনেক পরিবার আইন অমান্য করে মেহেদি রাতের আয়োজন করছে। আইনের বিপক্ষে গিয়ে বিয়ের আয়োজন করছে। একই গাড়িতে চলছে। মাস্ক পরছে না। করোনা টেস্টের রেজাল্টের অপেক্ষায় থাকার সময় বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাচ্ছে।’
ওই চিঠি নিয়ে বাংলাদেশি কমিউনিটির মানুষেরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। স্থানীয় প্রশাসন শেষ পর্যন্ত তদন্তের ঘোষণা দেয়। টড আবার চিঠি লিখে ক্ষমা চান। এরপর পাঁচমাসের মতো আর স্কুলে যাননি তিনি। গত মে মাসে ক্লাসে ফিরলেও বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিবাদের মুখে সম্প্রতি পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। খবর ডেইলি মেইলের।
সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অঞ্চলে প্রায় ৭ হাজার বাংলাদেশির বসবাস। তাদের অধিকাংশ পরিবারের বাচ্চারা টডের শিক্ষার্থী।
বিতর্কিত সেই চিঠির পর নতুন আরেকটি চিঠিতে গত বছর টড বলেন, ‘বাংলাদেশি পরিবারগুলোর কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। কেউ আহত হলে সব দায় আমি নিচ্ছি।’
‘কিন্তু আমি মনে করি এটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমি নিজেকে প্রশ্ন করেছি, যে প্রাপ্তবয়স্করা পজিটিভ হচ্ছেন, তারা কীভাবে দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করতে পারেন।’
সম্পাদক ও প্রকাশক- মেহেদী হাসান
Copyright © 2026 Livenews24bd সত্যের সাথে প্রতিদিন. All rights reserved.