
অনলাইন ডেস্ক |
শনিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে টিকা নিয়ে রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে বিশেষ উড়োজাহাজ।
এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় আরেকটি বিশেষ বিমানে আসে মডার্নার ১৩ লাখ টিকা। তখন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, আরও ১২ লাখ টিকা শনিবার সকালে দেশে পৌঁছাবে।
একই দিন রাতে চীনের কাছ থেকে কেনা ১১ লাখ সিনোফার্মের টিকাও ঢাকায় পৌঁছে।
রাতে যুক্তরাষ্ট্রের টিকা গ্রহণের পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা ১৩ লাখ টিকা গ্রহণ করলাম। আরও ১২ লাখ ডোজ টিকা সকালে এসে পৌঁছাবে।”
গণ টিকাদান কর্মসূচি পরিকল্পিতভাবে চালাতে না পারার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “আমরা জোরেশোরে শুরুর পরও কাঙ্ক্ষিত টিকা না পাওয়ায় তা ধরে রাখতে পারিনি। আশা করছি টিকার আর কোনো অভাব হবে না। আমরা বিভিন্ন রাষ্ট্রের কাছ থেকে পাচ্ছি, ভবিষ্যতে আরও পাব। ডিসেম্বরের মধ্যে ১০ কোটি টিকা আসবে, যা ৫ কোটি মানুষকে দেওয়া যাবে।”
গত ২২ জুন বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার আট দেশের পাশাপাশি এশিয়ার ১৮টি দেশকে টিকার বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্সের মাধ্যমে ১ কোটি ৬০ লাখ টিকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস। কোভ্যাক্সের মাধ্যমে বরাদ্দ হওয়া টিকা থেকে বাংলাদেশের জন্য মডার্নার তৈরি ২৫ লাখ টিকা পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র।
