1. sarifhafiz48@gmail.com : livenewsdesk desk : livenewsdesk desk
  2. mehedihasan.mhs078@gmail.com : Arif Molla : Arif Molla
  3. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
  4. livenewsbd24@gmail.com : Mehedi Hasan : Mehedi Hasan
বাঁচতে লাফ দিই তৃতীয় তলা থেকে - Livenews24
বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিশ্র কন্ঠে প্রতিবাদী শব্দে গাইবান্ধায় ‘আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস’ পালিত বিরামপুরে উপজেলা আ’লীগের জাতীয় শোক দিবস পালনের প্রস্তুতিমুলক সভা অনুষ্টিত কালকিনিতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলায় দুই ভাই আহত,হাসপাতালে ভর্তি। জামালপুরে বিনামূল্যে ‘ফ্রি ডেন্টাল ক্যাম্প’ অনুষ্ঠিত বিরামপুরে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছার ৯২ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন দেশে ফিরলেন ৫৬৪১৫ হাজি চীনে ৯৯ শতাংশ পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পেল বাংলাদেশ মা ও শিশুর পুষ্টি উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন খাতে প্রভাব পড়বে এটাই স্বাভাবিক তাইওয়ানের মূল ভূমিতে হামলার মহড়া চালিয়েছে চীন জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ : বিএনপি দুই দিনের সফরে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এমপি শিবলী সাদিককে জড়িয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে মানববন্ধন জামালপুরে রশিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্মিত কমপ্লেক্স ভবনের উদ্বোধন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রহিম হত্যার বিচারের ফয়সালা হবে রাজপথে -বিএনপিনেতা ওয়ারেছ আলী মামুন

বাঁচতে লাফ দিই তৃতীয় তলা থেকে

  • প্রকাশিত : শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১
  • ১৫০ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট।। 

বিকেল সাড়ে ৫টা। সেজান সুজ কারাখানার নিচতলায় তখন দাউদাউ করে আগুন জ্বলছিল। তৃতীয় তলায় কাজ করছিল ফাতেমা (১৫) আর তার সহকর্মী। তখনো তারা টের পায়নি আগুন লাগার বিষয়টি। হঠাৎ পেছনে ফিরে ধোঁয়া আর আগুনের কুণ্ডলী দেখতে পায় ফাতেমার সহকর্মী। মুহূর্তেই ধোঁয়ায় দম বন্ধ হওয়ার পরিস্থিতি। শুরু হয় মৃত্যুপুরী থেকে বেঁচে আসার যুদ্ধ।

একপর্যায়ে তৃতীয় তলা থেকে লাফ দেয় ফাতেমা। আগুনে পুড়ে মরার চেয়ে নিচে লাফিয়ে পড়াই যেন তার কাছে শ্রেয় ছিল। শুধু ফাতেমাই নয়, তার মতো শত শত শ্রমিক তখন লাফ দেয় নিচে। অনেকে বাঁচার আশায় ৬ তলার ছাদ থেকেও লাফিয়ে পড়ে পাশের টিনশেডের ওপর, কেউবা সরাসরি নিচে।

মৃত্যুপুরী থেকে বেঁচে আসা ফাতেমা সেই ভয়ংকর স্মৃতি মনে করে আঁতকে ওঠে। অসুস্থ ও বিধ্বস্ত ফাতেমা বলে, আমি ও আমার সঙ্গে একজন তৃতীয় তলায় বোতল ছিদ্র করার কাজ করছিলাম। তখনো জানি না যে আগুন লেগেছে। হঠাৎ আমার সঙ্গে থাকা একজন পেছনে দেখে ধোঁয়া আর আগুন। আমরা তখন ছোটাছুটি করতে থাকি। মুহূর্তের মধ্যেই আমরা ধোঁয়ার কারণে শ্বাস নিতে পারছিলাম না, দম বন্ধ হয়ে আসছিল।

সে আরও বলে, প্রথম তলায় আগুন লাগায় নিচেও নামতে পারছিলাম না। আমাদের নামার জন্য রশি বা মই কিছুই দেওয়া হয়নি। এ সময় দেখলাম বিল্ডিংয়ের সামনের বড় শাটার গেট দিয়ে অনেকেই লাফিয়ে নিচে পড়ছে। আমি ভাবলাম, আগুনে না পুড়ে মরে নিচে পড়েই মরি। তাই আগুন থেকে বাঁচতে তৃতীয় তলা থেকে নিচে লাফ দিয়ে অজ্ঞান হয়ে যাই।

কথা বলতেও বেশ কষ্ট হচ্ছিল ফাতেমার। লাফ দেওয়ার কারণে তার পায়ের বেশ কিছু অংশ কেটে ও থেঁতলে গেছে। বুকে চোট লাগায় এখন শাস নিতে কষ্ট হয় তার। চিৎকার করায় গলাও ব্যথা করছে। ফাতেমা জানায়, একটি ছেলে তার মাথায় পানি ঢেলে জ্ঞান ফেরানোর পর সে তার মামাতো বোনের খোঁজ করতে থাকে। সে তখন চতুর্থ তলার সেই মৃত্যুপুরীতে আটকা ছিল।

ফাতেমা দাবি করে, চতুর্থ তলা থেকে নামার কলাপসিবল গেটটি তখন তালাবদ্ধ ছিল। মালিকের নির্দেশে ওই ফ্লোরের গেটে তালা লাগিয়ে রাখা হয়। এ সময় কারখানার কর্মকর্তারা তাদের জানান, চতুর্থ তলার এসি রুমে ‘ওরা’ নিরাপদে আছে, ওখানে কিছু হবে না। কিন্তু পুরো ফ্লোরেই তখন আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ে ছাই করে দিয়েছে সব। সেখানে থাকা কোনো জীবিত শ্রমিক আর বাঁচতে পারেনি।

ফাতেমা আরও দাবি করে, ছাদ থেকে ও বিভিন্ন ফ্লোর থেকে নিচে লাফিয়ে পড়া অনেকেই মারা গেছে। সে জানায়, বলা হয়েছিল প্রথমে ২ জন লাফ দিয়ে মারা গেছে। কিন্তু আমার চোখের সামনে অনেকেই লাফ দিয়ে মারা গেছে। ছাদ থেকে যারা লাফ দিয়েছে, তাদের বেঁচে থাকার কথা নয়।

উল্লেখ্য, চতুর্থ তলার যে ফ্লোর থেকে ৪৯টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল, তাদের সবাই একটি স্থানেই জড়ো হয়েছিল বলে জানিয়েছিলেন উদ্ধারকারীরা। ধারণা করা হচ্ছে, ফাতেমার এই বক্তব্যই ছিল সেই ৪৯ হতভাগ্যের নিয়তি।

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021
Design & Development By : JM IT SOLUTION