1. sarifhafiz48@gmail.com : livenewsdesk desk : livenewsdesk desk
  2. mehedihasan.mhs078@gmail.com : Arif Molla : Arif Molla
  3. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
  4. livenewsbd24@gmail.com : Mehedi Hasan : Mehedi Hasan
এক সরকারি কলেজের ৮ শিক্ষকের সনদই ভুয়া.! - Livenews24
বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৮:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রিপোটার্স ইউনিটির-সভাপতি সুবল বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক মনজুর হোসেন কাশিয়ানীতে স্কুলের সরকারি বই ৩০টাকা কেজি দরে বিক্রি গোবিন্দগঞ্জে সদ্য নিয়োগকৃত সহকারী শিক্ষকদের বরণ ও আলোচনা সভা মাদারীপুরে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু মাদারীপুর ১২দিনের উৎসব নিয়ে জেলা প্রশাসকের প্রেস ব্রিফিং ২২ জানুয়ারি থেকে খাওয়ানো হবে কৃমিনাশক ওষুধ সরকারের পরিবর্তন চাইলে নির্বাচনে আসুন। সরকার নির্বাচন নিয়ে মাথা ঘামাবে না নির্বাচন করবে নির্বাচন কমিশনারঃ ওবায়দুল কাদের একনেকে ১০৬৮৩ কোটি টাকার ১১ প্রকল্প অনুমোদন মেসিসহ ঢাকায় আসছে আর্জেন্টিনা ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের ঢেউ টিন দিলো বিসিপি বিরামপুরে সরিষার বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি মাদারীপুর উৎসব ও জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী শুভাগমন উপলক্ষে আলোচনা সভা গাইবান্ধায় সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৩ জনের গাইবান্ধায় মাদক মামলায় এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে মাদারীপুরে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

এক সরকারি কলেজের ৮ শিক্ষকের সনদই ভুয়া.!

  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৩৯৩ শেয়ার এবং সংবাদটি পড়েছেন।

আমিরুল ইসলাম কবির,বিশেষ সংবাদদাতাঃ

শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। একজন শিক্ষার্থীকে সুশিক্ষিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার কারিগর হলেন শিক্ষক। তাই শিক্ষকতাকে বলা হয় মহান পেশা। কিন্তু সেই শিক্ষকই জালিয়াতির মাধ্যমে পাওয়া সনদে চাকরি করে যাচ্ছেন বছরের পর বছর।

জাল সনদে চাকরি পাওয়ার ঘটনা নতুন নয়। তবে আশ্চর্যের বিষয় এক কলেজেই জাল সনদে চাকরি করছেন আটজন শিক্ষক। কয়েক বছর ধরে জাল সনদে এতজন শিক্ষক চাকরি করলেও নজরে আসেনি কর্তৃপক্ষের।

দেশের যেসব উপজেলায় কোনো সরকারি কলেজ ছিল না,সেগুলোতে একটি করে বেসরকারি কলেজকে জাতীয়করণ বা সরকারি করা হয়েছে। এই কলেজগুলো সরকারিকরণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ২০১৬ সালে। পরে বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে ২০১৮ সালের ১২ আগস্ট দেশের ২’শ ৭১টি বেসরকারি কলেজকে সরকারি করে প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর আগে-পরে আরও ৩২টি কলেজ জাতীয়করণ হয়।

কলেজ সরকারি হলেও এখনো সরকারি বেতন-ভাতাসহ অনান্য সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন না কলেজগুলোর শিক্ষক- কর্মচারীরা।

কারণ সংশ্লিষ্ট কলেজের শিক্ষকদের সব সনদ যাচাই- বাছাই করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রথমে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) যাচাই- বাছাই করার পর এখন মন্ত্রণালয়ে আবার যাচাই-বাছাই করছে।

শিক্ষকদের সব সনদ যাচাই- বাছাইয়ের কাজটি করছেন বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। আর যাচাই করতে গিয়েই রংপুর জেলার পীরগঞ্জ সরকারি শাহ্ আব্দুর রউফ কলেজের ৮ শিক্ষকের সনদের গড়মিল পেয়েছেন তারা। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সনদগুলো ভুয়া এবং জাল জালিয়াতি মাধ্যমে তৈরি করা।

তাই যাচাই-বাছাই শেষে ওই ৮ শিক্ষকের সনদ ভুয়া উল্লেখ্য করে পীরগঞ্জ সরকারি শাহ্ আব্দুর রউফ কলেজের অধ্যক্ষকে একটি চিঠি দিয়েছে এনটিআরসিএ। ওই চিঠিতে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে মামলা করার জন্যও বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সেই চিঠির একটি অনুলিপি পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও (ওসি) পাঠানো হয়েছে।

যা আছে শিক্ষকদের ভুয়া সনদেঃ
এনটিআরসিএ সূত্রে জানা যায়, সরকারি শাহ্ আব্দুর রউফ কলেজের অধ্যক্ষকে দেয়া ওই পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে- সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক সুরাইয়া বেগমের সনদটি সঠিক নয়। উত্তীর্ণ রোল নম্বরটি অন্য ব্যক্তির- তার নাম রোজিনা আক্তার (রেজিঃ নম্বর- ১০০০০৪৩৩৬৮)। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক হাসিনা আক্তারের সনদটি সঠিক নয়। উত্তীর্ণ রোল নম্বরটি অন্য ব্যক্তির,তার নাম জাহাঙ্গীর আলম (রেজিঃ নম্বর- ১০০০০০৯২৭)।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অপর প্রভাষকঃ
মো. শহীদ বদরুদ্দোজার সনদটিও সঠিক নয়। রোল নম্বরটি ২০০৭ সালের তৃতীয় শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার উত্তীর্ণ ফলাফলের তালিকায় নাই।

ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক মো. জিল্লুর রহমান সম্পর্কে বলা হয়েছে,সনদটি সঠিক নয়। রোল নম্বরটি ২০১২ সালের অষ্টম শিক্ষক নিবন্ধন পরিক্ষার উত্তীর্ণ ফলাফলের তালিকায় নাই। রোল নম্বরটি প্রভাষক ব্যবস্থাপনা পদের নয়;এটি সহকারী শিক্ষক,পোল্ট্রি রিয়ারিং অ্যান্ড ফারমারিং পদের।

ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক আয়শা প্রধানের বিষয়ে বলা হয়েছে,সনদটি সঠিক নয়। রোল নম্বরটি ২০১৩ সালের নবম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ফলাফলের তালিকায় নাই।

ইতিহাস বিভাগের অপর এক প্রভাষকঃ
কেয়া শারমিন সম্পর্কেও একই কথা বলা হয়েছে যে,তার সনদটি সঠিক নয়। রোল নম্বরটি ২০১৩ সালের নবম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ফলাফলের তালিকায় নাই।

ইতিহাস বিভাগের আরেক প্রভাষকঃ
ফারহানা খাতুন সম্পর্কে বলা হয়েছে,তার সনদটি সঠিক নয়। রোল নম্বরটি ২০১৩ সালের নবম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ফলাফলের তালিকায় নাই। রোল নম্বরটি লেকচারার, হিসটোরি পদের নয়,এটি লেকচারার,সোসিওলোজি পদের।

এছাড়াও ওই কলেজের দর্শন বিভাগের প্রভাষক হুরুন্নাহার খাতুন সম্পর্কে বলা হয়েছে, সনদটি সঠিক নয়। রোল নম্বরটি ২০১৪ সালের দশম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ফলাফলের তালিকায় নাই। সনদে কোন বিষয়ে লেকচারার তা উল্লেখ নাই। তা ছাড়া রোল নম্বরটি লেকচারার পদের নয়।

এই বিষয়ে জানতে সরকারি শাহ্ আব্দুর রউফ কলেজের অধ্যক্ষের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তার নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে যোগাযোগ করা হয় পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরেস চন্দ্রের সঙ্গে। তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, এই বিষয়ে কোনো চিঠি বা লিখিত কোনো ডকুমেন্টস এখনো আমি পাই নাই। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এমন একটি ঘটনার কথা জেনেছি।

প্রসঙ্গত,রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার শাহ্‌ আব্দুর রউফ কলেজ ১৯৭০ সালে স্থাপিত হয়েছে। অত্র প্রতিষ্ঠানে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষায় শাখা,ডিগ্রি পর্যায়ে বিএ, বিএসএস,বিএসসি সম্মান কোর্স বাংলা ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি,রাষ্ট্রবিজ্ঞান,ভূগোল ও পরিবেশ এবং উদ্ভিদবিদ্যা বিষয় চালু রযেছে। বর্তমান অত্র শিক্ষার প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২ হাজার ৫’শ জন ছাত্র ছাত্রী কলেজে অধ্যায়নরত আছেন।

LN/Arif

আপনার পছন্দের লিংকের মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন, আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021
Design & Development By : JM IT SOLUTION